HomeBengaliঅ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসার অপকারিতা

অ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসার অপকারিতা

অ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসার অপকারিতা – Bed Effects of Allopathic Treatment



“শরীরম ব্যাধি মন্দিরম”

এই কথাটা যে কত সত্য সে সম্বন্ধে অধিক বলা নিষ্প্রয়োজন। তবে ভগবান মানুষের দেহটাকে কেবল ব্যাধির মন্দির করেই সৃষ্টি করেন নাই, সঙ্গে সঙ্গে দেহের মধ্যেই ব্যাধির ঔষধের ভাণ্ডারও স্থাপন করেন,  রোগ প্রতিরোধের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন।

এজন্যেই রাগ হলেই মানুষ মরেনা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দেহ ও রোগের যুদ্ধে, দেহই জয় লাভ করে। দেহের মধ্যে প্রকৃতির এই ঔষদের ভান্ডারের সন্ধান ভারতীয় ঋষিগণ বহু পূর্ব থেকেই অবগত হলেও সাধারণ মানুষের কাছে তা অজ্ঞাত ছিল। বিজ্ঞান বলে সাধারণ মানুষ কিছুদিন হল সেই ঔষধ ভান্ডারের সামান্য পরিচয় পেতে আরম্ভ করেছে। এই ঔষধ ভান্ডার গলি হল সাতটি প্রধান গ্রহ পরিচালিত শরীরের সাতটি গ্রন্থি আর এই গ্রন্থির অধীন উপগ্রন্থী সমূহ।

এই গ্রন্থি উপ গ্রন্থি নিঃসৃত রস (Hormones) এবং গ্রন্থসমূহের উপাদানিক উপাদান (substance) গুলিই হল ঔষধ। গৃহস্থ এই গ্রন্থে রসে ভগবান কিরূপ ঔষধের শক্তি নিহিত করে রেখেছেন। এবং বিজ্ঞান বলে মানুষ তার যতটুকু পরিচয় পেয়েছে তা ভাবতেও আশ্চার্য্যন্বিত হতে হয়।

প্রাকৃতিক নিয়মের উলঙ্ঘনই রোগের প্রধান কারণ। রোগ হলে আরোগ্যের জন্য ঔষধ হাতে প্রকৃতি দেবীই এগিয়ে আসেন। জ্ঞানী মানুষ তার ওষধের উপর নির্ভর করে সুস্বাস্থ্য এবং দীর্ঘজীবন লাভ করেন। মানুষের অজ্ঞতা রূপ অবিশ্বাস সেই অমৃতময় ওষুধ থেকে তাকে বঞ্চিত করে। তোমাদের আশেপাশে যেসকল দীর্ঘজীবী মানুষ রয়েছেন তাদের ইতিহাস পর্যালোচনা করলেই জানতে পারবে যে ছেলেবেলা থেকে এ্যালোপ্যাথিক এর বিক্রিত ঔষধ তাদের পেটে পড়েনি বলেই তারা প্রাকৃতিক ঔষধের বলে দীর্ঘজীবী। ছোটবেলা থেকে বিকৃত ঔষধ পেটে পড়লে সুস্থ শরীরে দীর্ঘজীবন লাভ করা কারো পক্ষে সম্ভব নয়। জ্ঞানী চিকিৎসক এ তথ্য জানেন বলেই তারা সকলকে পাইকারি হারে ওষুধ খাওয়ালেও নিউজ পরিজনকে ঔষধ খাওয়াতে তাদের হাত কাঁপে। দীর্ঘজীবী ডক্টর অ্যালবার্ট হার্ভার্ড (Albert Hubbart), বলেন my father practiced medicine for 67 years but he never practiced on me অর্থাৎ আমার পিতা 67 বছর যাবৎ চিকিৎসা ব্যবসা পরিচালনা করেছিলেন কিন্তু আমি অসুস্থ হলে তিনি কখনো আমাকে ওষুধ দিতেন না।

রোগ হওয়া মাত্র যে মানুষ আজ এ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসকের শরণাপন্ন হচ্ছে তা ভাবি মানবকুলের পক্ষে অতি দুর্ভাগ্যজনক কারণ এর ফলে প্রাকৃতিক সত্য থেকে ক্রমশ তারা দূরে সরে যাচ্ছে। প্রকৃত জ্ঞানী জানেন যে রোগ হলে ওষুধ খেতে হবে তার কোনো মানে নেই তাতে উপকারের চেয়ে অপকারই বেশি। প্রখ্যাত চিকিৎসক Dr. Noyes বলেন যে-

There is no reason, justice, nor necessity for the use of drugs in diseases, I believe that, this profession,  this art, this misnamed science,  is none other than a practice of fundamental fallacious, principals important of God morality wrong and bodily harmful.

অর্থাৎ ডাক্তার-নোইয়েসের মতে রোগা আরোগের জন্য ওষুধ প্রয়োগের কোন যথার্থ কারণ, কোন সদ যুক্তি বা প্রয়োজন খুঁজে পাওয়া যায় না। আমার মনে হয় এই চিকিৎসা ব্যবসা, এই চিকিৎসা কলা, এই ভুয়ো চিকিৎসা বিজ্ঞান আগাগোড়া কতগুলি ভুল নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত, এই চিকিৎসা ব্যবসা মানুষের পক্ষে উপকারী নয়। এই ব্যবসা নীতি হিসাবেও অপরাধজনক এবং মানুষের স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকারক।

এ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসকগণ জেনেই হোক আর না জেনেই হোক সমাজের অশেষ অপকার করে থাকেন। প্রথম জীবনে এই ব্যাপারে মনোনিবেশ না করলেও পরিনত বয়সে বহু চিকিৎসককে পশ্চাৎতাপ করতে দেখা গেছে। ওষুধ প্রয়োগের থেকেও রোগীর বিশ্বাস এবং ইচ্ছাশক্তি অধিক কাজ করে।

এ্যালোপ্যাথিক ওষুধে অপকার হলেও বহু অর্থ ব্যয়ে সাড়ম্বরে রাজকীয় ভাবে চিকিৎসা চলছে।  উচ্চ ফি এ  নামি চিকিৎসক চিকিৎসা করছেন এবং দামি নামি ঔষধ ফেটে পড়ছে এই মানসিকতাই অধিক কাজ করে। এই ব্যাপারে বহু পর্যবেক্ষণ পরীক্ষার পর প্রখ্যাত চিকিৎসক Dr Magandie Paris এর এক medical classe এ ছাত্রদের সামনে ভাষণ দিতে গিয়ে বলেন medicine is a great humbug. I know, it is called science, science indeed! It is nothing like science doctors are nearly empirics when they are not Charlatans.

Let me tell you, gentleman when I did when I was a physician at the Hotel Diue. Some three of our thousand patients past through my hands every year. I divided the patients into 3 classes. With one I followed the rules and regulations of modern medical science and give the usual medicines, without having the list idea why or wherefore to others I gave bread pills and coloured waters, without of course, telling them know anything about it.

And occasionally I would create a third division, to whom I gave nothing, whatever, this last fret a good deal. The felt that they were being neglated unless they were drugged the embeciles(and the irritated themselves until they really got sick). But nature always come to the rescue and all the third class got well. There was little coloured water. The mortality was greatest among those who got the bread pills and those drugged according to the dispensary.

অর্থাৎ ঔষধ একটি অনিষ্টকর বস্তু। ওষুধ ব্যবসা একটি মস্ত বড় প্রতারণা। আমরা জানি একে চিকিৎসা বিজ্ঞান বলে। বিজ্ঞানই বটে। তবে বিজ্ঞানের বিশেষ জ্ঞান বা সুপরীক্ষিত  জ্ঞান এর মধ্যে কিছুই নাই। চিকিৎসকরা প্রবঞ্চক না হলেও আত্ম প্রতারক অর্থাৎ বিচার বিবেচনা প্রয়োগ  না করে তারা গতানুগতিক পথেই চলেন।

আমি যখন হোটেল ভিউ নামক হাসপাতালে পরিচালনায় ছিলাম, তখন ওষুধের দুষ গুণ পরীক্ষা করার জন্য আমি কি করেছিলাম শুনুন । প্রতিবছর 3 – 4 হাজার রোগী আমাকে দেখতে হতো । আমি রোগীদের তিন শ্রেণীতে ভাগ করেছিলাম।

এক শ্রেণী কে নির্বিচারে আধুনিক চিকিৎসা শাস্ত্র সম্মত ব্যবস্থাপত্র এবং ওষুধপত্র দিতাম।

দ্বিতীয় শ্রেণি কে ওষুধের পরিবর্তে খাদ্য করি এবং রং করা জল দিতাম। আমার এই প্রচারণা তারা যাতে ধরতে না পারে, সেই দিকে সর্তকতা অবলম্বন করি এইরূপ পড়তাম।

মাঝে মাঝে আমি তৃতীয় শ্রেণি সৃষ্টি করতাম। এই তৃতীয় শ্রেণীর রোগীদের ঔষধ এর আবেদন নির্মমভাবে প্রত্যাখ্যান করতাম। আমার এই প্রত্যাখ্যানে তারা বিশেষভাবেই বিরক্ত হয়ে উঠত। এরা ভাবতো যে এদের ইচ্ছা করি অপেক্ষা করা হচ্ছে। নিজের মনে খুঁত খুতির দরুন এই দুর্বলচিত্ত লোকগুলি সত্য সত্যই অসুস্থ হয়ে পড়তো। কিন্তু প্রকৃতি এদের রক্ষায় এগিয়ে আসছেন ফলে এই তৃতীয় শ্রেণীর রোগীরা আপনার থেকেই কিছুদিনের মধ্যেই আরোগ্য লাভ করত।

যাদের আমি ওষুধের বদলে খাদ্য পড়ি এবং রং করা জল দিতাম তাদের মধ্যেও প্রায় কেউই মৃত্যুর মুখে পতিত হতো না। কিন্তু চিকিৎসাশাস্ত্রের চুলচেরা বিধান অনুযায়ী যাদের আমি ওষুধ দিতাম তাদের মধ্যেই অনেকে মৃত্যুমুখে পতিত হত।

এর থেকে আশা করি এ্যালোপ্যাথিক ঔষধের দোষ গুণ সহজে বুঝতে পারছ। যারা কথায় কথায় ঔষধ খায় তাদের মনে রাখা উচিত প্রত্যেকটি ঔষধ বৃষ্টির ক্ষতিকর। এই বিষ ঔষধের মাধ্যমে পেটে গিয়ে কিরূপ অবস্থার সৃষ্টি করে বিখ্যাত এ্যালোপ্যাথিক চিকিৎক  Dr Lind  তা সুন্দরভাবে বুঝিয়েছেন। তিনি বলেন যে- almost every virulent poison known to man is found in allopathic prescription, this poisons have a tendency to accumulate in the system to concentrate in certain parts: and organs and then to cause continual irritation and actual destruction of tissues. By far the greatest part of all chronic diseases are created or complicated through the suppression of acute diseases by means of drug poison, and through the distractive effects of the drugs themselves.



অর্থাৎ মানুষ কত রকম ভয়াবহ বিষ এর সন্ধান পেয়েছে তার প্রায় সমস্তই এলোপ্যাথিক ঔষধের মধ্যে আছে। ওষুধের সঙ্গে এই বিশেষ করে দেহে সঞ্চিত থাকে। এরপর তা শরীরের যেকোনো অংশে অথবা দেহ পরিচালক যে কোন যন্ত্রে গিয়ে কেন্দ্রীভূত হয় এবং ওই স্থানকে অথবা ওই দেহ পরিচালক যে কোন যন্ত্রে গিয়ে কেন্দ্রীভূত হয় এবং ওই স্থানকে অথবা ওই দেহ পরিচালক যন্ত্রকে সর্বদা ক্লিষ্ট করতে থাকে। ওই অঙ্গের বা যন্ত্রের প্রাণ কোষগুলো ওই বিষের প্রভাবেই ধ্বংস হতে থাকে। নতুন রোগ আমরা ওষুধ প্রয়োগে আরোগ্য করি। বলাবাহুল্য এটা আরোগ্য নয়। নতুন রোগকে আমরা ঔষধ বিষের দ্বারা চাপা দিই। কার প্রকাশকে স্তব্ধ রাখি। ঔষধ বিষ দ্বারা এরূপ রোগ চাপা দেওয়ার ফলে ওই বিষের ধ্বংস ক্রিয়ার পরিনাম দীর্ঘস্থায়ী ব্যাধি উৎপন্ন হয় অথবা নানাবিধ জটিল দুরারোগ্য ব্যাধির সৃষ্টি হয়।

সুতরাং ওষুধ যে আমাদের কি ভয়ানক ক্ষতিসাধন করে এ কথাটি সর্বদা মনে রাখতে হবে। সামান্য মাথাধরা সর্দি-কাশি-জ্বর অম্বল হলেই সঙ্গে সঙ্গে অ্যালোপেথিক চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া আর খাল কেটে দুরারোগ্য ব্যাধি রূপ কুমির ডেকে আনা একই কথা। সাধারণ রোগে প্রকৃতির উপর নির্ভর করে বিশ্রাম পত্র এবং নিয়ম শুশ্রূষার ধারা নির্দোষ রূপে রোগ আরোগ্য করা সম্ভব। তাই প্রফেসর Alonzo Clark, MD বলেন – “In there zeal to do good, physicians have done much harm. They have harit many to the grave, who would have recovered if left the nature. All our curative  agents are poisons, and as a consequence every dose diminishes the patient’s vitality. If patients get well in some cases, it is in spite of the medicines……”

অর্থাৎ আরোগ্য করার আগ্রহ চিকিৎসকরা রোগীর ভয়ানক সর্বনাশ সাধন করে গেছেন। বহু রোগীকে তারা দ্রুত মৃত্যুর ঘরে ঠেলে দেন। এসব রোগীর ওপর ঔষধ প্রয়োগ না হলে এরা প্রাকৃতিক নিয়মে অর্থাৎ নিজ নিজ জীবনে শক্তির জোরে আরোগ্য লাভ করত। রুক আরোগ্যের জন্য আমরা যত প্রকার ওষুধ আবিষ্কার করেছি তার সমস্তই বিষাক্ত পদার্থ। এইজন্যই ঔষধ এর প্রত্যেকটি মাত্রা রোগের জীবনীশক্তি হ্রাস করে। ওষুধ খেয়েও কতগুলি রোগীর আরোগ্য হয়। কিন্তু এই আরোগ্যলাভ ওষুধের গুনে না তা ঘটে রোগীর জীবনী শক্তির প্রভাবে।


তরতাজা জীবনী শক্তি রোগ এ রোগের প্রধান হাতিয়ার, ঔষধ নয়। প্রাকৃতিক নিয়ম অনুসারে সুশৃংখল জীবনধারণ, যথানিয়মে আহার নিদ্রা, আসন মুদ্রা দ্বিধারা এই জীবনে শক্তি কে আরো অধিক প্রাণবন্ত করা যায়। রোগ শক্তি এই জীবনীশক্তি কি প্রথম আক্রমণ করেন যার বহিঃপ্রকাশ ঘটে স্থূল শরীরে। ওষুধের মধ্যে যে বিষ থাকে তা প্রাণশক্তিকে ধীরে ধীরে নিস্তেজ করে। প্রত্যেক ঔষধি বিষ থাকবেই থাকবে তা না হলে ওষুধের কাজ হবে না।

ভারত গভর্মেন্টের ভূতপূর্ব স্বাস্থ্য সভার সদস্য Dr Hurty(Ex. Indian State Board of Health) বলেন –  there is not a single medicine in the world that does not carry harm in its molecules.

Allopathic চিকিৎসা এদেশে চালু হওয়ার আগে প্রত্যেকটি মানুষের আয়ু স্বাস্থ্য সফলতা মানসিকতা সরলতা যে অবস্থায় ছিল আজ মুড়ি-মুড়কির মতো এই ঔষধ সহজলভ্য হওয়ায় তার মান কোথায় নেমে গেছে তা ভেবে অন্তত এখন থেকেই সর্তকতা অবলম্বন করা প্রয়োজন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) ও এখন এই ব্যাপারে খুবই উদ্বিগ্ন। তাদের মতে এ্যালোপ্যাথিক ওষুধের যথেচ্ছ ব্যবহার যেনতেন প্রকারে নিয়ন্ত্রণ করা প্রয়োজন। এর অল্টারনেটিভ যে কোন চিকিৎসা পদ্ধতিকে তারা সাদরে আহবান জানান যার ভিত বৈজ্ঞানিক তত্ত্বের উপর প্রতিষ্ঠিত এবং যার কোনো পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া অর্থাৎ side effect নেই।

যোগাসন ব্যায়াম প্রাণায়াম  এর মোকাবেলায় সফল হবে। এ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসা যদি দুর্লভ হয়ে যেত তবে মানবকুলের পক্ষে তা আশীর্বাদ স্বরূপ হত। Dr. James Johnson বলেন – I declare as my conscious conviction founded along with experiences, that if there were not a single physician, surgeon, midwife, chemist, druggist, nor drug on the face of the earth, there would be less sickness and less mortality then now prevail.

অর্থাৎ নিজের বিবেক বুদ্ধি দ্বারা সমর্থিত এবং অভিজ্ঞতালব্ধ সত্যের ভিত্তির উপর দাঁড়িয়ে আমি ঘোষণা করছি যে – যদি সমস্ত চিকিৎসক, অস্ত্র চিকিৎসক, ধাত্রী, ওষুধ প্রস্তুতকারক, ঔষধ বিক্রেতা এবং ঔষধ পৃথিবীর বুক থেকে একেবারে বিলুপ্ত হয়ে যেত, তবে রোগীর সংখ্যা এবং মৃত্যুর সংখ্যা বর্তমানে তুলনায় বহুগুণ কমে যেত।

তাই যারা অ্যালোপ্যাথি ওষুধ, চিকিৎসা ও তৎসংক্রান্ত কোন পেশার সঙ্গে জড়িত তাদের দেশমাতৃকার কথা মনে রেখে, ভবিষ্যৎ পৃথিবীর কথা স্মরণে রেখে যত কম ওষুধ দ্বারা রোগীর আরোগ্য করা যায় এবং এর সাইড এফেক্ট কি তা জনসাধারণকে যেন বুঝানো যায় তার জন্য এগিয়ে আসতে হবে। ব্রিটিশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি স্যার জেমস (sir James bay – president of a British medical association) তার অন্তিম অভিজ্ঞতা থেকে অত্যন্ত বিষাদ এর  সঙ্গে বলেন our treatment of disease is not a science nor even a refined art what a thriving industry.


অর্থাৎ আমাদের রোগ চিকিৎসা প্রণালী বিজ্ঞান সম্মত নয়। এটি সুন্দর কোন শিল্প ও নয়। এটা শুধু একটা লাভজনক ব্যবসা।

সুতরাং যারা সামান্য কারণেই মুড়ি-মুড়কির মতো এ্যালোপ্যাথিক ঔষধ গলাধঃকরণ করে থাকে তাদের অন্তত চিন্তাশীল আলোপথিক দিকপালদের অভিজ্ঞতা লব্ধ সিদ্ধান্ত গলিতে একবার মনোনিবেশ করতে আবেদন জানাই।

যখনঐ কোন ওষুধ খাবে কোন বিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শমতো তা খেতে হবে। যে চিকিৎসক যত রকম ওষুধ দেবেন তাকে তত অভিজ্ঞ হিসাবে চিহ্নিত করতে পার। বিনা প্রেসক্রিপশনে কখনো কোন ঔষধ খাওয়া উচিত নয়।
 

 

RELATED ARTICLES
- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments